Posts

যাদের পাত্তা দেওয়া উচিত না

  যারা সবজান্তা,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়। যারা অন্যের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনে না কিন্তু নিজের কথা আনমনে বলতেই থাকেন,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যারা যোগাযোগের ক্ষেত্রে ভারসাম্য রক্ষা করতে পারেনা,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যাদের মননে অহংকার রয়েছে,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়। যারা নিজেকে সর্বেসর্বা এবং অত্যন্ত জ্ঞানী মনে করেন, তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যারা অন্যের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করেন,তাদের পাত্তা দেওয়া উচিত নয়। যারা কুটনামি করেন,তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়। যারা কথায় কথায় গালাগাল ও ব্যক্তিগত আক্রমণ করে কথা বলেন- তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যারা মন মানসিকতায় হীনমন্য এবং সংকীর্ণ- তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়। যারা খুঁতখুঁতে এবং অতিরিক্ত সন্দেহবাদী- তাদেরকে পাত্তা দেওয়া উচিত নয়। যারা মানুষের কথার ভেতর কথা বলেন,কথার মধ্যে যারা বাম হাত ঢুকিয়ে দেন- তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যারা চাটুকারীতা এবং তেলবাজির আশ্রয় নিয়ে অন্যের মন জয় করতে চান,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যাদের মধ্যে নূন্যতম কার্টেসি নেই,তাদেরকে পাত্তা দেয়া উচিত নয়। যাদেরকে পাত্তা দি...

ডিপ্রেশন

 মানুষ যখন ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগে, তখন সে চায় তার কথাগুলো অন্যের সাথে শেয়ার করে নিজে কিছুটা হালকা হতে অথবা এর একটা সমাধান খুঁজে পেতে। কিন্তু সে যখন তার ভিতরের জমা কথাগুলো অন্যের সাথে শেয়ার করার মতো কাউকে পায় না বা অন্যের সাথে শেয়ার করতে পারে না, তখন সে নিজের সাথে নিজে কথা বলার চেষ্টা করে। নিজের সাথে নিজে কথা বলে যখন একটা সময় নিজে সাথে নিজে পেরে ওঠতে পারে না কিংবা আর হালকা হতে পারে না তখন সে ডিপ্রেশনে থাকার কারণে কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক সেটা না বোঝার কারণে সুইসাইড এর মতো মারাত্মক ভুল সিদ্ধান্ত পর্যন্ত নিয়ে ফেলে! কিন্তু তার মাথায় তখন সেটা আর কাজ করে যে, "সুইসাইড কখনো সমস্যার সমাধান হতে পারে না!" তাই,  আমাদের উচিত যতটুকু সম্ভব আশেপাশের মানুষগুলোর একটু খোঁজখবর রাখা আর যারা ডিপ্রেশন বা হতাশায় ভুগছে তাদের আরো বেশি হতাশ না করে তাদের কথাগুলো একটু মনোযোগ দিয়ে শোনা, তাদেরকে একটু সান্ত্বনা দেয়া, একটু ভালো পরামর্শ দেয়া কিংবা সম্ভব হলে তাদের সমস্যার একটা সমাধান দেয়ার চেষ্টা করা। মনে রাখবেন, আপনার একটু যত্নশীলতা আর ভালো পরামর্শ বাঁচাতে পারে আপনার আশেপাশে ডিপ্রেশনে ভোগা অনেক তাজা জীবন।

❤️ভালোবাসা❤️

 ভালো লাগা একটি তাৎক্ষণিক অনুভূতি, অনেক সময়ে আমাদের অনেকেই জিজ্ঞেস করে বসে - এত মানুষ থাকতে তোমাকে কেনো একেই ভালো লাগে!? কখনো আমাদের এর উত্তর জানা থাকে, কখনো হয়তোবা জানাও থাকে না! ভালোলাগা যখন দীর্ঘমেয়াদি একটি অনুভূতিতে রূপ নেয়, তখনই আমরা একে বলি ভালোবাসা। অনেকে বলে থাকেন, ভালোলাগায় শর্ত থাকে, কিন্তু ভালোবাসায় থাকে না। আসলেই কি তাই? নিঃস্বার্থ ভালোবাসা বলে আসলেই কি কিছু আছে? বাস্তবিক ভাবে আমাদের জীবনে কোনো সম্পর্কই নিঃস্বার্থ নয়, শুধুমাত্র সন্তানের সাথে সম্পর্ক ছাড়া! যেকোনো সম্পর্ক থেকে আমাদের চাওয়া পাওয়া থাকে, ফলে যুক্ত হয় অভিযোগ-আফসোস এবং অপূর্ণতার হতাশা! আর যদি জিজ্ঞেস করা হয়, আমাদের সবার জীবনের মূল উদ্দেশ্যটি কি? - সম্ভবত উত্তরটি হবে - 'ভালো থাকা।' আমরা সবাই ভালো থাকতে চাই; কখনো ভালোবাসার মানুষের সাথে, অথবা তাকে ছাড়া। কখনো কখনো মনে হতে থাকে আসলে এই মানুষটিকে ছাড়া আমি কীভাবে বেঁচে থাকব!? কিন্তু বিশ্বাস করুন, মানুষ বেঁচে থাকতে পারে! সৃষ্টিকর্তার ইচ্ছা আর অক্সিজেন ব্যতীত কোন কিছুই এমন নেই, যা ছাড়া মানুষ বেঁচে থাকতে পারে না! কখনো কখনো মানুষটি নয়, বরং 'ভালবাসা...

মানুষ কেন প্রেমে পড়ে ?

প্রেম মানুষকে গড়ে, আবার ভাঙেও। প্রেমের উন্মাদনায় সাত সমুদ্র পাড়ি দেয় প্রেমিক, মৃত্যুর মতো কঠিন বিষয়কেও হার মানায় অনেক সময়। শুধু প্রেমের জন্যে ঘটেছে কত রক্তপাত-যুদ্ধ। ধ্বংস হয়েছে নগরী। তাই মানুষ কেন প্রেমে পড়ে, এই প্রশ্ন উঁকি দিতে পারে অনেকের মনে? নারী ও পুরুষের পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ থেকে আসে আসক্তি। আসক্তি থেকে আসে পূর্বরাগ। আর পূর্বরাগ হলো প্রেমের প্রস্তুতি। প্রেম হলো কামনা। একে অপরের প্রতি জেগে ওঠা দুর্নিবার বাসনাকে ভালোবাসা বলে। প্রেমে পড়েনি এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন।  বিজ্ঞানীদের দেয়া তথ্য অনুসারে, মানুষের মস্তিষ্কে সেরাটোনিন নামক একটি উপাদানের প্রভাবে নারী ও পুরুষের একে অপরের প্রতি স্বভাবজাত কামনা তৈরি হয়। তবে বিজ্ঞানীদের অন্য এক দল মনে করেন, কামনা জাগ্রত হয় সেক্স হরমোন টেস্টোসটেরন ও ইসট্রোজেনের মাধ্যমে। আকর্ষণ তৈরি হয় মস্তিষ্কের ডোপামিন ও নোরিপাইন এবং আসক্তি তৈরি হয় অক্সিটোসিন ও ভ্যাসোপ্রোসিনের মাধ্যমে। আসুন জেনে নিই মানুষ কেন প্রেমে পড়ে: নিঃসঙ্গতা দূর করতে: মানুষ একা থাকতে পারে না। চলার পথে প্রয়োজন হয় একজন সঙ্গীর। প্রেমের মাধ্যমে সঙ্গীর সঙ্গে খুনসুটির মধ্য দিয়ে মানুষ নিজে...